Thursday, February 11, 2021

গুরুত্বপূর্ণ ৪০০ টি কম্পিউটার ও আই.সি.টি বিষয়ক প্রশ্নাবলী।

গুরুত্বপূর্ণ ৪০০ টি কম্পিউটার ও আই.সি.টি বিষয়ক প্রশ্নাবলী


১। কম্পিউটার শব্দের অর্থ কি? – গননাকারী যন্ত্র।
২। আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে? -জন ভন নিউম্যান
৩। কম্পিউটারের স্মৃতি কত প্রকার? -কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার
৪। LCD এর পূর্ণরূপ লিখ? – Liquid Crystal Display.
৫। PC অর্থ কী? – Personal Computer.
৬। CPU কী? -Central Processing Unit
৭। 1 KB = ? উত্তরঃ 1 KB = 1024 Byte.
৮। কম্পিউটারের আবিষ্কারক কে? – হাওয়ার্ড এ্যাইকিন
৯। কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে কি বলে? – ROM
১০। কম্পিউটারে কোনটি নেই?- বুদ্ধি বিবেচনা
১২। কোনটি কম্পিউটারের সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে? – সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট
১৩। ই-মেইল কি?- ইলেকট্রনিক মেইল
১৪। কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয় কাকে?- মাইক্রো প্রসেসর
১৫। কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ বা যন্ত্রকে কি বলে? – হার্ডওয়্যার
১৬। বর্তমান কম্পিউটার জগতের কিংবদন্তি কে?-বিল গেটস
১৭। কম্পিউটার বায়োস (BIOS) কি? -Basic Input-Output System
১৮। কম্পিউটারের প্রধান প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডকে বলা হয়? -মাদারবোর্ড
১৯। কম্পিউটার র‌্যাম কি? -স্মৃতিশক্তি
২০। কম্পিউটার পদ্ধতির দুটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে- -হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অংশ
২১। ইন্টারনেট ব্যবহারে বর্তমানে শীর্ষ দেশ- -চীন 
২২। IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার- -Intel 4004
২৩। কত সালে প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক চালু হয়? -১৯৭৯ সালে
২৪।কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কত প্রকার? -৪ প্রকার 
২৫। চ্যাট (Chat) অর্থ কি? -খোশগল্প করা
২৬। বাংলাদেশে অনলাইন ইন্টারনেট সার্ভিস কবে থেকেু হয়? -১৯৯৬ সালের ৪ জুন
২৭। কম্পিউটারের এই ‘#’ চিহ্ন কে কি বলে? -হ্যাস চিহ্ন
২৮। Net অর্থ কি?- – জাল
২৯। মাইক্রো শব্দের অর্থ কি? – ক্ষুদ্রাকার
৩০। অসংখ্য কম্পিউটারের সমন্বয়য়ে গঠিত বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে কি বলা হয়? –ইন্টারনেট
৩১। কম্পিউটারের ব্যবহার নয় কোনটি? -স্বপ্ন দেখা
৩২। মাউস ক্লিক বলতে কি বুঝায়? – মাউসের বাম বোতামে চাপা
৩৩। কম্পিউটার শব্দের উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে? – Compute
৩৪। কম্পিউটারে কয় ধরনের ড্রাইভ থাকে? -৩ ধরনের
৩৫। পাওয়ার-পয়েন্ট ফাইলকে বলা হয়- -প্রেজেনটেশন
৩৬। কোনটি ডাটা সংরক্ষণ ও স্থানান্তরের ব্যবহৃত হয়। – পেনড্রাইভ
৩৭। নিচের কোনটি বাংলা লেখার সফটওয়্যার? – বিজয়
৩৮। তথ্য প্রযুক্তির শাখা নয় কোনটি? -ডাক বিভাগ 
৩৯। অপারেটিং সিষ্টেম হচ্ছে- -মানুষের মস্তিস্কের বুদ্ধি
৪০। Find কমান্ড থাকে কোন মেনুতে? -Edit
৪১। অক্ষরের আকার আকৃতি পরিবর্তন করতে হয়- -ফন্ট ডায়লগ বক্সে
৪২। মানুষের দেহকে যদি হার্ডওয়্যার ধরা হয় তাহলে সফ্টওয়্যার- – প্রাণ
৪৩। কম্পিউটারের বুদ্ধি মা্নুষের চেয়ে–কম
৪৪। বিভিন্ন অক্ষর টাইপ করতে কী-বোর্ডের কোথায় চাপ দিতে হয়। -বোতামে
৪৫। কত সালে অ্যাপেল অপারেটিং সিষ্টেম ৭.০ প্রবর্তন করেন? -১৯৭১ সালে
৪৬। কম্পিউটারে স্মৃতি ধারণ ক্ষমতা কিসে প্রকাশ করা হয়? -বাইট
৪৭। প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার কে? – লেডি অ্যাডা অগাষ্টা
৪৮। পাওয়ার পয়েন্ট কোন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রাম? – মাল্টিমিডিয়া
৪৯। কম্পিউটারের কাজের গতি কি দ্বিরা প্রকাশ করে? -ন্যানো সেকেন্ড
৫০। কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ পেশায় কি ছিলেন? – গণিতবিদ
৫১। চ্যাট (Chat) অর্থ কি? -খোশগল্প করা
৫২।মাইক্রো শব্দের অর্থ কি? -ক্ষুদ্রাকার
৫৩। নিউমেরিক কি প্যাড কোথায় থাকে? -কীবোর্ডের ডান দিকে।
৫৪। সফ্টওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি? -মনিটর
৫৫। ফাইল কপি বা স্থানা প্রক্রিয়ার চুড়ান্ত নির্দেশ হল- -Copy
৫৬। একসিস কোন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রম? -ডেটাবেজ
৫৭। পাওয়ার পয়েন্ট ফাইলেক কি বলা হয়- -প্রেজেন্টেশন
৫৮। কম্পিউটারে হিসাব নিকাশ করার জন্য কোন সফ্টওয়্যারটি সর্বাধিক উপযোগী? -এম.এস.এক্সেল
৫৯। কোন ধরনের প্রিন্টার সবচেয়ে দ্রুত গতিতে উন্নতমানের প্রিন্ট প্রদানে সক্ষম? -লেজার প্রিন্টার 
৬০। কোন কোম্পানির মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে আইবিএম পিসি তৈরী? -ইন্টেল
৬১। BOL কি?- Bangladesh Online Limited. 
৬২- অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে- -মানুষের মস্তিস্কের বুদ্ধি
৬৩। Find কমান্ড কোন মেনুতে থাকে?- -Edit মেনুতে
৬৪। কিসে Close কমান্ড দিলে ডাটাবেজের বিদ্যমান ফাইল বন্ধ হয়ে যায়? -File মেনুর Close কমান্ড দিলে
৬৫। নোটপ্যাড এর ব্যবহার নয় কোনটি? -ছবি আঁকা
৬৬। উইন্ডোজ -৯৫ বাজারে এসেছিল- -১৯৯৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর
৬৭। জন্ম তারিখ হলো একটি- ফিল্ড
৬৮। অক্ষরের আকার আকৃতি পরিবর্তন করতে হয়- -ফন্ট ডায়ালগ বক্সে
৬৯। মানুষের দেহকে যদি হার্ডওয়্যার ধরা হয় তাহলে সফটওয়্যার- -প্রাণ
৭০। কম্পিউটারের বুদ্ধি মানুষের চেয়ে- -কম
৭১। Binary disit থেকে উৎপত্তি হয়- -Bit
৭২। প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য কী? -সমস্যার সমেত্মাষজনক সমাধান
৭৩। কমপ্লেক্স কম্পিউটারের নক্সা তৈরী করেন- -ড. স্টিবিজ
৭৪। বিভিন্ন অক্ষর টাইপ করতে কী-বোর্ডের কোথায় চাপ দিতে হয়?-বোতামে
৭৫। লেখালেখির জন্য তৈরী ব্যবহারিক প্যাকেজ প্রোগ্রাম কোনটি? -ওয়ার্ড প্রোসের্সি প্রোগ্রাম
৭৬। যেসব প্রোগ্রাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ভাইরাস হতে রক্ষা করা হয় তাকে কি বলে? -এন্টিভাইরাস
৭৭। মাইক্রো কম্পিউটারে সবকিছু একত্রে থাকাকে কি বলে? -লজিক বোর্ড
৭৮। দুটি কম্পিউটার টেলিফোন লাইনের সাথে সংযুক্ত করে কে?-মডেম
৭৯। কম্পিউটার গণনার একক কোনটি? -বাইট 
৮০। এক্সেল কোন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রাম?- স্প্রেডশিট
৮১। কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রোগ্রাম সমষ্টিকে কি বলে? সফটওয়্যার
৮২। কম্পিউটারের কাজের গতি কি দ্বারা প্রকাশ করা হয়? -ন্যানো সেকেন্ড
৮৩। কোনটি ছাড়া হার্ডওয়্যার কাজ করে না? -সফ্টওয়্যার
৮৪। কোন কাজ করার জন্য কম্পিউটারকে কি প্রদান করতে হয়? – তথ্য বা ডাটা
৮৫। কম্পিউটার কিভাবে তথ্য প্রক্রিয়ার কাজ করে? -নির্দেশ অনুযায়ী
৮৬। কম্পিউটার যন্ত্র কোন ভাষা বোঝে? -নিজস্ব ভাষা
৮৭। কম্পিউটারের আউটপুট যন্ত্র নয় কোনটি? -স্ক্যানার
৮৮। সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার হলো- -সুপার কম্পিউটার
৮৯। কম্পিউটার কার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করে? -মানুষের
৯০। শুরম্নতে কম্পিউটার দিয়ে কোন কাজটি করানো হত? – গণনার
৯১। সফ্টওয়্যার শিল্পে বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কোন দেশ? – ভারত
৯২। ইন্টারনেটের একাউন্ট গ্রহণকারীদের কি বলে? – নেটিজেন
৯৩। ইন্টারনেটের উদ্ভব হয় কোন দেশে। – যুক্তরাষ্ট্রে
৯৪। বর্তমান যোগাযোগের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম কোনটি? -ইন্টারনেট 
৯৫। Ok এবং Cancel অথবা Close বোতাম কোথায় থাকে? – ডায়ালগ বক্সে। 
৯৬। কোন মেনুতে প্রিন্ট কমান্ড থাকে?- File
৯৭। File, Edit, Help, View ইত্যাদি শব্দগুলো কোথায় লেখা থাকে?- মেনু বারে
৯৮। ফাইল সেফ করার জন্য কোন মেুনর প্রয়োজন? -ফাইল মেনুর
৯৯। ইংরেজী বড় হাতের অক্ষর টাইপ করতে কোন বোতাম প্রয়োজন? -Caps Lock
১০০। F1 থেকে F12 পর্যমত্ম কী-গুলোকে এক সাথে বলা হয় -ফাংশন কী? (আমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দেন পরবর্তী সাজেশন এর জন্য) 
১০১। কম্পিউটারের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কাজে কোন পদ্ধতি ব্যবহার হয় না? -দশমিক
১০২। চন্দ্রাবতী হলো- -বাংলা ফন্টের নাম
১০৩। কোনটি চিত্রভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম?-এক্সেল
১০৪। ডাটাবেজ অর্থ হল–তথ্যবিন্যাস
১০৫। বিজয় কী বোর্ড ব্যবহার করার জন্য কী টাইপ করতে হয়? -Ctrl + Alt+B
১০৬। কম্পিউটার মাউস কে তৈরী করেন? -উইলিয়াম ইংলিস
১০৭। WWW এর জনক কে?- টিম বার্নস লি 
১০৮। কম্পিউটারের ভাষা কি প্রকৃতির হয়? -ডিজিটাল
১০৯। কার্সর (Cursor) কি? -আলোক রেখা
১১০। উইন্ডোজ আসলে কিসের মতো?-খোলা জানালা
১১১। অক্ষর কাটা বা মোছার জন্য কোন কমান্ড ব্যবহার করা হয়? – ডিলিট বা ব্যাকস্পেস
১১২। কোন বিজ্ঞানী কম্পিউটার ভাইরাস নামকরণ করেন? – ফ্রেড কোহেন
১১৩। ডেটা ফাইলসমুহ আক্রমণ করে কোন ভাইরাস? -ম্যাক্রো ভাইরাস
১১৪। মাউসকে ঝুলিয়ে ধরনের কিসের মতো দেখায়? – ইদুরের মত
১১৫। ফাইল সেভ করার জন্য কোন মেনুর প্রয়োয়ন? -ফাইল মেনু
১১৬। কম্পিউটার ভুল ফলাফল প্রদর্শন করলে বুঝতে হবে- -ডাটা ইনপুট করায় ভুল হয়েছে। 
১১৭। ইনপুট ডিভাইস কোনটি? – কিবোর্ড
১১৮। আউটপুট ডিভাইস কোনটি? – মনিটর 
১১৯। সিপিইউ এর অংশ নয় কোনটি? -মেমোরি 
১২০। কম্পিউটারের স্মৃতি কত প্রকার। – ২ 
১২১। কম্পিউটার প্রধানত কয় প্রকার?- ৩
১২২। ওয়ার্ড প্রসেসিং প্যাকেজ নয় কোনটি?-ওয়ার্ড প্রসেসর
১২৩। ৫৩D কোন ধরনের সংখ্যা? -হেক্সাডেসিমাল 
১২৪। সংখ্যা পদ্ধিতি মোট কত প্রকার? -৪ প্রকার 
১২৫। ফাংশন কি কোন গুলি?- F1-F12
১২৬। 0-09 পর্যমত্ম Key গুলোর নাম কী? – Numeric key.
১২৭। নিচের কোনটি স্পেশাল Key।- Space bar 
১২৮। নিচের কোনটি Antivirus সফ্টওয়্যারের নাম লিখ? – Norton
১২৯। MS word-এ Select All এর শর্টকাট কমান্ড কি? – Ctrl+A
১৩০। LAN এর পূর্ণ নাম লিখ? – Local Area Network
১৩১। WWW এর পূর্ণ নাম লিখ?- World Wide- Web
১৩২। Save কোন মেনুতে রয়েছে?- File
১৩৩। মেনুবারে কয়টি মেনু আছে। – ৯টি
১৩৪। Save এর সর্টকাট কমান্ড লিখ। -Ctrl+S 
১৩৫। MS word-এ Symbol কোন মেনুতে আছে। – Insert
১৩৬। File অর্থ কি? – নথিপত্র
১৩৭। Data Processing কয় প্রকার?- ৩
১৩৮। জ্জ্ব কিভাবে লিখতে হয় … – জ্ জ্ ব
১৩৯। IBM PC প্রথম বাজারে আসে…- ১৯৮১ সালে
১৪০। মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ 3.1 বাজারে আসে… – ১৯৯২ সালে
১৪১। Apple Computer কত সালে বাজারে আসে… – ১৯৭৬ সালে
১৪২। MS word-এ New document নেয়ার জন্য কোন মেনুতে ক্লিক করতে হয়- – File
১৪৩। পুরাতন ডকুমেন্ট Open করার জন্য কোন মেনুতে ক্লিক করতে হয়– File
১৪৪। Save অর্থ কি?- সংরক্ষণ করা
১৪৫। Pragraph কোন মেনুতে রয়েছে– Format 
১৪৬। MS word-এ Find এর শর্টকাট কমান্ড কি? – Ctrl+F
১৪৭। MS word-এ Document কে বড় করে দেখার জন্য- – Zoom
১৪৮। M.S Excel –এ কতটি রো আছে?-৬৫,৫৩৬টি
১৪৯। M.S Excel –এ কতটি কলাম আছে?-২৫৬টি
১৫০। M.S Excel –এ কতটি Cell আছে? -১,৬৭,৭৭,২১৬টি
১৫১। বেসিক ভাষা উদ্বোধন করেন?-জন কেমিনি ও টমাস কাটর্জ
১৫২। পিসি তৈরীতে আবশ্যক নয় কোনটি?- প্রিন্টার
১৫৩। সাধারণ ডাটাবেজ হলো–একটি ফাইল বিশিষ্ট ডাটাবেজ
১৫৪। লেখালেখির জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রাম কোনটি?
-ওয়ার্ড প্রসের্সিং
১৫৫। নোটবুক নামে পরিচিত কোনটি? -ল্যাপটপ
১৫৬। পৃথিবীর প্রথম স্বয়ক্রিয় গণনার যন্ত্রের নাম- – MARK-1
১৫৭। অ্যানিমেশন, গ্রাফিক্স ও সাউন্ডের সমষ্টিকে কি বলা হয়?- মাল্টিমিডিয়া
১৫৮। ক্যাপস লক কী জন্য ব্যবহার হয়?- বড় হাতের লেখার জন্য
১৫৯। নিচের কোনটি ইংরেজী ফন্ট নয়? – চন্দ্রাবতী
১৬০। কীবোর্ডে এ্যারো কী-এর সংখ্যা কয়টি? -৪টি।
১৬১। কিবোর্ডে কয়টি Alt Key আছে? -২
১৬২। কিবোর্ডে Windos Key কয়টি? -২
১৬৩। কিবোর্ডে ESC কয়টি? -১
১৬৪। কিবোর্ডে Home Key কয়টি? -১
১৬৫। কোন কম্পিউটার কে পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়? – মাইক্রো কম্পিউটার।
১৬৬। অপারেটিং সিষ্টেম কি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে? – পুরো কম্পিউটার সিষ্টেম
১৬৭। কোন কোম্পানি প্রথমে পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরী করে? – অ্যাপল।
১৬৮। মেইনফ্রেম কম্পিউটারের ছোট সংস্করণ কোনটি? -মিনিফ্রেম
১৬৯। এনিমেশন শব্দের অর্থ কি? জীবন্ত করা। 
১৭০। ই-ফোন কি?- ইন্টারনেট ফোন।
১৭১। পৃথিবীর প্রথম স্বয়ক্রিয় গণনা যন্ত্রের নাম-MARK-1
১৭২। মার্ক-১ এর দৈর্ঘ্য ছিল– ৫১ ফুট লম্বা।
১৭৩। রাশিয়ার এ্যাবাকাশকে কী বলা হয়?- স্কোটিয়া
১৭৪। পিডিপি-৮ কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?-দ্বিতীয়
১৭৫। লাইট পেন হলো এক ধরণের- -ইনপুট ডিভাইস।
১৭৬। কোন ডিক্স সরাসরি ফরমেট করা যায় না।- ফ্লপি ডিক্স।
১৭৭। RAM Cache কিসের অংশ বিশেষ? -RAM 
১৭৮। উইন্ডোজ এনটি/২০০০ এর বিটের সংখ্যা হলো- ৩২
১৭৯। কোন প্রজন্মের কম্পিউটারের সঙ্গে মনিটরের প্রচলন শুরু হয়? -তৃতীয় প্রজন্ম।
১৮০। বর্তমান ব্যবহৃত পিসি কোন প্রজন্মে? -চতুর্থ প্রজন্মের।
১৮১। ইনপুট হিসেবে আসা তথ্যগুলো জমা হয় কোথায়? – র্যামে।
১৮২। মডেম হচ্ছে- -তথ্য আদান প্রদানে যন্ত্র। 
১৮৩। বাইনারী অংকের সংক্ষিপ্ত নাম হচ্ছে- -বিট। 
১৮৪। একটি ফিল্ডে কতটি বর্ণ হতে পরে?-৬৪টি। 
১৮৫। কোনটি কম্পিউটারের কাঁচা মাল? -তথ্য। 
১৮৬। প্রথম আবিস্কৃত ব্রাউজারের নাম কি?- মোজাইক।
১৮৬। সি ল্যাঙ্গুয়েজের জনক কে?- ডেনিস রিচি 
১৮৭। সুপার কম্পিউটার কে আবিস্কার করেন? – সেয়মোর ক্রে
১৮৮। প্রথম প্রজন্মের প্রথম কম্পিউটারের নাম কি?- ইউনিভ্যাক-১
১৮৯। মডেমের গতি পরিমাপের একক কি?-KBPS 
১৯০। সফটওয়্যার কি ধরণের শক্তি। -অদৃশ্য শক্তি। 
১৯১। হোমপেজ কি- -একধরণের ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন।
১৯২। নিচের কোনটি ডাটাবেজ প্যাকেজ নয়? -জাভা।
১৯৩। ইউপিএস কত প্রকার? -২ প্রকার।
১৯৪। এইচটিএমএল একটি-প্রোগ্রাম
১৯৫। কে এইচটিএমএল ভাষার রূপদান করেন? বার্নার্স লী
১৯৬। শিক্ষার্থীরা সহজে আয়ত্ত করতে পারে কোন প্রোগ্রাম? বেসিক প্রোগ্রাম।
১৯৭। কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ? -সি
১৯৮। ওরাকল কোন ধরনের প্রোগ্রাম? -ডাটাবেজ 
১৯৯। ০ ও ১ এই দুটি সংখ্যার প্রত্যেকটিকে কি বলে?-বিট 
২০০। কম্পিউটার ইনপুট দেয়ার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রকে কি বলে?- ইনপুট ডিভাইস
২০১। LCD (Liquid Crystal Display) এর জনক কে?- সুইস পদার্থবিদ মার্টিন সাউট
২০২। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিনের নাম কি?-পিপীলিকা
২০৩। মোবাইল ফোনে প্রথম কথা বলা হয় কবে?-৩ এপ্রিল ১৯৭৩।
২০৪। ২৭ জুন ২০১১ গুগল কোন সামাজিক যোগাযোগ সাইট চালু করেন?- গুগল প্লাস
২০৫। Quick Heal কী? – এন্টিভাইরাস সফ্টওয়ার 
২০৬। Twitter কী? – সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট
২০৭। ২০১০ সালের ভারত প্রথম বারের মত কি নামে নিজস্ব ওয়েব ব্রাউজার চালু করেন? – Epic. 
২০৮। Zeus (জিয়ুজ) কী? – কম্পিউটার ভাইরাস।
২০৯। ৫ জানুয়ারী ২০১০ গুগল প্রথম কোন মোবাইল ফোন বাজারে নিয়ে আসে? – নেক্সাস-১ 
২১০। ২০১২ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা কত? ২৫ লাখের বেশি
২১১। ফেসবুকে মনের ভাব প্রকাশকে কী বলে?-স্ট্যাটাস
২১২। ফেসবুকের স্ট্যাটাসকে টুইটারে কী বুঝানো হয়? -টুইট
২১৩। কোন সামাজিক যোগাযোগ সাইটটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়? -ফেসবুক
২১৪। জুন ২০১২ পর্যমত্ম পৃথিবীতে Facebook ব্যবহারকারীদের সংখ্যা কত?- ৯০ কোটি।
২১৫। গুগলের ছবি Upload করার সাইটের নাম কি?-Picasa
২১৬। কোনমেমোরি মুছে ফেলা খুব কঠিন?-রমের মেমোরি
২১৭। কোথায় কম্পিউটার চালু করার নির্দেশনাবলি সংরক্ষিত থাকে? – ROM
২১৮। সর্বপ্রথম কোন কোম্পানি হার্ডডিস্ক তৈরী করেন?- আইবিএম
২১৯। ডিজিটাল ক্যামেরা কি ধরনের ডিভাইস?-ইনপুট ডিভাইস
২২০। ল্যাপটপের কোন অংশটি মাউসের কাজ করে?– টাচ প্যাড
২২১। পেনড্রাইভ প্রথম কখন বাজারে আসে? -২০০০ সালে।
২২২। গেমস খেলার জন্য আলাদা পোর্ট থাকে কোথায়?- গ্রাফিক্স কার্ডে 
২২৩। কত সালে প্রথম হার্ডডিক্স তৈরী হয়?–১৯৫৬ সালে।
২২৪। কম্পিউটারের ভাষায় কয়টি অক্ষর আছে? – ২টি
২২৫। পেনড্রাইভ এর অপর নাম কি? ফ্লাশ ড্রাইভ। 
২২৬। ১৯৮৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার বাহিনীর ওয়েবসাইটে ঢুকে পড়া হ্যাকারের বয়স কত ছিল? ১৯ বছর।
২২৭। বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত জ্ঞান ভান্ডার কোনটি? -উইকিপিডিয়া
২২৮। কেউ যদি অপরের ওয়েব সাইটে ঢুকে কোন কিছু ক্ষতি না করে ফিরে আসে তাকে কী বলা হয়? হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার।
২২৯। Melissa ভাইরাস কবে কম্পিউটার ওয়ার্ল্ডকে আক্রমন করে? -১৯৯৯ সালে।
২৩০। Melissa- এর আক্রমনের ভয়ে কোন কোম্পানি তাদের ই-মেইল সার্ভার বন্ধ রাখে? -Microsoft.
২৩১। Melissa Virus তৈরী করেন কে? – ডেভিড স্মিথ
২৩২। Melissa Virus তৈরীর অপরাধে ডেভিড স্মিথের কী সাজা হয়েছিল? – ১০ বছরের জেল? 
২৩৩। Mydoom Worm কি? – কম্পিউটার ভাইরাস।
২৩৪। ২০০৪ সালে কোন কম্পিউটার ভাইরাসটি সাইবার জগৎকে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে? – Mydoom Worm
২৩৫। Mydoom Worm কম্পিউটার ভাইরাস একসাথে কয়টি কম্পিউটারকে আক্রমন করে?-২,৫০,০০০।
২৩৬। কেউ যদি অপরের ওয়েবসাইটে ঢুকে তার ওয়েবসাইট এলোমেলো করে ফেলে তাকে কী বলা হয়? -ব্লাক হ্যাট হ্যাকার।
২৩৭। অন্যের ওয়েবসাইটের গোপন অংশে অবৈধভাবে ঢুকে পড়াকে কী বলা হয়?- হ্যাকিং 
২৩৮। ইন্টারনেট থেকে কোনো তথ্য কপি করে হুবহু নিজের মতো চালিয়ে দেওয়াকে কী বলা হয়? – পেস্নজারিজম।
২৩৯। কম্পিউটার ভাইরাস কি?-একধরণের প্রোগ্রাম।
২৪০। সর্বপ্রথম প্রবর্তিত বাংলা লেখা সফটওয়্যারের নাম কি? -শহিদ লিপি।
২৪১। শহিদ লিপি সফটওয়্যার কত সালে প্রবর্তন করা হয়? – ১৯৮৫ সালে।
২৪২। এলাইনমেন্ট কয় ধরণের ? ৪ ধরণের।
২৪৩। একটি কীবোর্ডে কয়টি ফাংশন-কী থাকে? ১২টি।
২৪৪। দুটি বর্ণ পরস্পরকে যুক্ত করতে সংযোগকারী মধ্যবর্তী ‘‘Key” কোনটি? -G

২৪৬। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড চালুর সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনটি খোলে? – নতুন ডকুমেন্ট। 
২৪৭। অভ্র কত সালে প্রবর্তিত হয়? -২০০৭ সালে। 
২৪৮। ইংরেজি U বাটন দ্বারা বিজয় বাংলা কীবোর্ডে কী লেখা যায়? – জ ও ঝ
২৪৯। উইকিপিডিয়া তৈরী করেন কে?-সারাবিশ্বের মানুষ
২৫০। ইন্টারনেট কী? উ: দুই বা ততোধিক ভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড-এর নেটওয়ার্ককে মধ্যবর্তী সিস্টেম (যেমন: গেটওয়ে, রাউটার)-এর মাধ্যমে আন্ত-সংর্যুক্ত করে যে মিশ্র প্রকৃতির নেটওয়ার্কের ডিজাইন করা হয়, তাকে ইন্টারনেট বলে।
২৫১। কম্পিউটার কে আবিস্কার করেন?-উঃ হাওয়ার্ড এইকিন।
২৫২। বিশ্বের প্রথম কম্পিউটারের নাম কি? উঃ ENIAC
২৫৩। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটারের নাম কি? উঃ UNIVAC
২৫৪। প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটারের নাম কি? উঃ Mark-1
২৫৫। প্রথম তৈরি পার্সোনাল কম্পিউটারের নাম কি? উঃ এ্যালটেয়ার ৮৮০০।
২৫৬। প্রথম মিনি কম্পিউটারের নাম কি? উঃ পিডিপি-১
২৫৭। মিনি কম্পিউটারের জন্মদাতা কে? উঃ কেনেথ এইচ ওলসেন।
২৫৮। মানব মসিত্মষ্কের কোন বৈশিষ্ট্য কম্পিউটারে নেই? উঃ বুদ্ধি বিবেচনা।
২৫৯। পামটম কি? উঃ একধরণের ছোট কম্পিউটার।
২৬০। বিশ্বের প্রথম ও একমাত্র কম্পিউটার যাদুঘর কোথায় অবস্থিত? উঃ যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়। 
২৬১। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটারের নাম কি? উঃ আইবিএম-১৬২০ সিরিজ।
২৬২। বাংলাদেশে প্রথম মেইনফ্রেম কম্পিউটার কোথায় অবস্থায় করা হয়? উঃ বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে।
২৬৩। মাইক্রোসফট কি? উঃ কম্পিউটার সফট্ওয়্যার জগতে নামকরা প্রতিষ্ঠান। পূর্বের পোস্ট গুলো দেখুন আমার টাইমলাইনে
২৬৪। এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত হয়- উঃ হাইব্রিড কম্পিউটার
২৬৫। ‘CIH’ ভাইরাস কত তারিখে কম্পিউটারে বিশ্বব্যাপী বিপর্যয় সৃস্টি করে? উ: ২৬ এপ্রিল ১৯৯৯।
২৬৬। কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি? উঃ ADA
২৬৭। Which one is a graphics software? উঃ Adobe Photoshop.
২৬৮। এক কিলোবাইটের বিটের সংখ্যা কত? উঃ 1024 byte
২৬৯। Web Page কি? উঃ সার্ভারে রাখা ফাইল। 
২৭০। http এর পূর্ণরূপ কি? উঃ hyper text transfer protocol.
২৭১। চার্লস ব্যাবেজকে কিসের জনক বলা হয়? উঃ- কমপিউটারের।
২৭২। ইনপুট ও আউটপুটকে সংক্ষেপে কোন চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয়? উঃ- I/O
২৭৩। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কে কি বলে? উঃ- Control Unit
২৭৪। কার্যনীতির ভিত্তিতে কমপিউটারের শ্রেণিবিভাগ কয়টি ও কি কি? উঃ- তিনটি যথাঃ ক) অ্যানালগ। খ) ডিজিটাল। গ) হাইব্রিড।
২৭৫। কমপিউটার শব্দের উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে? উঃ- কম্পুটার
২৭৬। কয়েকটি ইনপুট ডিভাইস লিখ। উঃ- কী-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি। 
২৭৭। কয়েকটি আউটপুট ডিভাইস লিখ। উঃ- প্রিন্টার, প্লটার, মনিটর, প্রজেক্টর ইত্যাদি।
২৭৮। কমপিউটার শব্দের অর্থ কী? উঃ- গণনা করা। 
২৭৯। কী-বোর্ডের কন্ট্রোল কী-র সংখ্যা কয়টি? উঃ- ২টি।
২৮০। মাউসের কিক বলতে কী বুঝায়? উঃ- মাউসের বাম বোতাম চাপা।
২৮১। সি.পি.ইউ এর অংশ নয় কী? উঃ- মেমোরি। 
২৮২। কখন প্রথম মাইক্রো প্রসেসর প্রযুক্তির আবির্ভাব ঘটে? উঃ- ১৯৭১ সালে।
২৮৩। কম্পিউটার পেরিফেরালস্ কত ভাগে ভাগ করা যায়? উঃ- তিন ভাগে।
২৮৪। ডিফারেন্স ইঞ্জিন বা বিয়োগকরণ যন্ত্র তৈরী হয় কতসালে? উঃ- ১৭৮৬ সালে।
২৮৫। নির্গমন মুখ সরঞ্জাম কী? উঃ- আউটপুট ডিভাইস।
২৮৬। কমপিউটার স্মৃতি ব্যবস্থাকে প্রধানত কত ভাগে ভাগ করা যায়? উঃ- দুই ভাগে।
২৮৭। কমপিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট কী? উঃ- কান্তিহীনতা।
২৮৮। প্রথম ইলেকট্রনিক কমপিউটারের নাম কী? উঃ- ইউনিভ্যাক।
২৮৯। কমপিউটারের প্রধান ভাষা কোনটি? উঃ- ইংরেজি।
২৯০। কমপিউটারের শব্দ টি কোথা থেকে আসছে? -Compute
২৯১। বাংলাদেশে প্রথম স্থাপিত কমপিউটারের নাম কী? উঃ- আই.বি.এম.১৬২০ মেইনফ্রেম। 
২৯২। কতসালে বাংলাদেশে কমপিউটার স্থাপিত হয়? উঃ- ১৯৬৪ সালে।
২৯৩। কাজের ধরণ ও প্রকৃতির উপর নির্ভর করে কমপিউটারকে কতভাগে ভাগ করা যায়? উঃ- ৩ ভাগে।
২৯৪। মাউস একটি কোন ধরনের ডিভাইস? উঃ- ইনপুট ডিভাইস।
২৯৫। মাউসে কয়টি বাটন থাকে? উঃ- ২ টি।
২৯৬। কমপিউটারের হার্ডওয়ারকে কত ভাগে ভাগ করা যায়? উঃ- পাঁচ ভাগে।
২৯৭। কমপিউটার কেমন করে কাজ করে? উঃ- ইনপুট-সিপিইউ-আউটপুট।
২৯৮। সি.পি.ইউ এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে। উঃ- Central Processing Unit.
২৯৯। মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের সাল-? উঃ- ১৯৭১।
৩০০। কোন কমপিউটার পরিমাপন পদ্ধতিতে কাজ করে? উঃ- অ্যানালগ কমপিউটার।
৩০১। ডিজিটাল কমপিউটার কত প্রকার? উঃ- ৪ প্রকার।
৩০২। সবচেয়ে শক্তিশালী কমপিউটার হল- উঃ- সুপার কমপিউটার।
৩০৩। বাংলাদেশে কয়টি সুপার কমপিউটার রয়েছে? উঃ- একটিও নয়।
৩০৪।ভাইরাস নামকরণ কে করেন? উঃফ্রেডরিক কোহেন।

৩০৬। মাইক্রো শব্দের অর্থ কী? উঃ- ক্ষুদ্র।
৩০৭। পি.সি (P.C) শব্দের অর্থ কি? উঃ- পার্সোনাল কমপিউটার।
৩০৮। PDA কোন ধরনের কমপিউটার? উঃ- মাইক্রো কমপিউটার।
৩০৯। চার্লস ব্যাবেজ কোন যন্ত্র তৈরি করেন? উঃ- ডিফারেন্স ইঞ্জিন।
৩১০। সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কমপিউটার কি? উঃ- ইউনিভ্যাক। 
৩১১। প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে কোন প্রতিষ্ঠান? উঃ- অ্যাপল।
৩১২। কমপিউটারের প্রজন্ম কয়টি? উঃ- ৫টি। 
৩১৩। কমপিউটারের সথে অন্য সকল ইলেকট্রোনিক যন্ত্রের সবচেয়ে বড় পার্থক্য কি? উঃ- প্রোগ্রামিং যন্ত্র।
৩১৪। কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট কয়টি? উঃ- ২টি ।
৩১৫। বর্তমান যুগকে কী বলা হয়? উঃ- তথ্যপ্রযুক্তির যুগ।
৩১৬। কমপিউটারের কাজ করার গতি হিসাব করা হয় কী হিসেবে? উঃ- ন্যানো সেকেন্ডে।
৩১৭। ১ মিলি সেকেন্ডে ১ সেকেন্ডের এক ভাগের সমান কত? উঃ- এক হাজার।
৩১৮। ১ ন্যানো সেকেন্ড হল এক সেকেন্ডের কত ভাগ? উঃ- একশত কোটি ভাগের এক ভাগ সময়। 
৩১৯। কমপিউটারে ভুল ফলাফল প্রদর্শন করলে কি বুঝতে হবে? উঃ- ডাটা ইনপুট করা ভুল হয়েছে।
৩২০। ১ ন্যানো সেকেন্ড = কত সেকেন্ড? উঃ- সে. 
৩২১। Hardware বলতে কি বুঝ? উঃ- শক্ত সামগ্রী।
৩২২। কি কম্পিউটারের বাস নয়? উঃ- ভি.ই.এস.এ।
৩২৩। কোন ডিস্ক সরাসরি ফরমেট করা যায় না? উঃ- ফপি ডিস্ক।
৩২৪। কী-বোর্ডের শিফট,অল্টার,কনট্রোল কী-গুলোকে কী বলে। উঃ- Modifier key
৩২৫। কী-বোর্ডে কতগুলো কী থাকে? উঃ-১০৪-১১০ টি।
৩২৬। কমপিউটারের স্পেশাল ডিভাইস কোনটি।
উঃ- মাদারবোর্ড।
৩২৭। কমপিউটারে কয় ধরনের ড্রাইভ থাকে? উঃ- তিন ধরনের।
৩২৮। সি.পি.ইউ কে কয় ভাগে ভাগ করা যায়? উঃ- তিন ভাগে।
৩২৯। প্রথম প্রজন্মের কমপিউটারে ইনপুট আউটপুট হিসেবে কী ব্যবহার করা হতো। উঃ- পাঞ্চকার্ড।
৩৩০। টেড হফ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক ছিলেন? উঃ- স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩১। ’টেড হফ’ কতসালে মাইক্রোপ্রসেসরের একটি কার্যকর মডেল তৈরি করেন? উঃ- ১৯৭০ সালে।
৩৩২। টেড হফ এর তৈরি মাইক্রোপ্রসেসরের নাম কী ছিল? উঃ- কমপিউটার ইন এ চিপ।
৩৩৩। মাইক্রোপ্রসেসরের কাজ কী? উঃ- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করা।
৩৩৪। মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ কোনটি? উঃ- এএল ইউ, কন্ট্রোল ইউনিট, র্যাম প্রভৃতি
৩৩৫। মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয় কোনটি? উঃ- রেজিস্টার অ্যারে।
৩৩৬। মাইক্রোপ্রসেসরের কোন অংশ তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে? উঃ- গাণিতিক ইউনিট।
৩৩৭। মাইক্রোপ্রসেসরের কোন অংশটি ডাটা প্রসেসিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়? 
উঃ- ALU.
৩৩৮। গাণিতিক যুক্তি ইউনিটে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য যে অস্থায়ী উপাত্ত ব্যবহার করা হয় তার নাম কী? উঃ- অপারেন্ড। 
৩৩৯। মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের কাজ কয় ভাগে ভাগ করা যায়? উঃ- তিন ভাগে। 
৩৪০। ইন্সট্রাকশন সাইকেল/নির্দেশ চক্রকে কতভাগে ভাগ করা যায়? উঃ- ২ ভাগে।
৩৪১। রেজিস্টার হচ্ছে—— উঃ- কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণের অংশে অস্থায়ী তথ্য ধারণের স্থান। 
৩৪২। গাণিতিক ফলাফল সংরণের জন্য কোন রেজিস্টার ব্যবহার করা হয়? উঃ- অ্যাকুমোলেটর রেজিস্টার।
৩৪৩। কমপিউটারের বাস গুলো কী? উঃ- কন্ট্রোল বাস, ডাটাবাস, ফেস সাইকেল, PCI.
৩৪৪। র্যামের বৈশিষ্ট কি? উঃ- বিদ্যুৎ চলে গেলে ডাটা মুছে যায়।
৩৪৫। প্রথম কমপিউটার প্রোগ্রামার কে? উঃ- লেডি অগডা আগাস্ট।
৩৪৬। I.B.M এর পূর্ণরূপ কোনটি? উঃ International Business Machine.
৩৪৭। কাজের প্রকৃতি অনুসারে কমপিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা হয় সেগুলো কী কী? উঃ- এনালগ, ডিজিটাল, হাইব্রিড।
৩৪৮। প্রিন্টার তিন ধরনের হয় সেগুলো কী? উঃ- লেজার, ইনকজেট, ডট ম্যাট্রিক্স।
৩৪৯। লাইট পেন হল এক ধরনের ——-কী? উঃ- ইনপুট ডিভাইস।
৩৫০। ডট মেট্রিক্স প্রিন্টারের মুদ্রণ হয় কিসের সাহায্যে উঃ- পিন ও রিবণের সাহায্যে।
৩৫১। কোনটি উচ্চ ঘনত্বের মুদ্রণ যন্ত্র? উঃ- লেজার প্রিন্টার।
৩৫২। প্লটার কোন ধরনের যন্ত্র? উঃ- আউটপুট ডিভাইস।
৩৫৩। প্লটার কী? উঃ- মানচিত্র ও অন্যান্য নক্সা প্রিন্ট করার জন্য একধরনের প্রিন্টার যা পেন এর সাহায্যে প্রিন্ট হয়েথাকে।
৩৫৪। মডেম কোন ধরনের যন্ত্র? উঃ- ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র যা তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে। 
৩৫৫। কোন যন্ত্রের সাহায্যে কমপিউটার ভাষাকে টেলিফোনের ভাষায় এবং টেলিফোনের ভাষাকে কমপিউটারের ভাষায় রুপান্তর করে তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়। উঃ- মডেম।
৩৫৬। Modulator ও Demodulator এর সংক্ষিপ্ত রূপ কী? উঃ- MODEM.
৩৫৭। ডিজিটাল ক্যামেরাতে কী প্রয়োজন হয় না? উঃ- ফিল্ম।
৩৫৮। পোস্ট স্ক্রিপ্ট কী? উঃ- প্রিন্টারের ভাষা। 
৩৫৯। পারসোনাল কমপিউটার এর কারিগরি নাম কী? উঃ- মাইক্রো কমপিউটার।
৩৬০। ক্লোন কী? উঃ- আই.বি.এম পিসির নকল। 
৩৬১। মাইক্রোপ্রসেসরের ৮০৮০ ভিত্তিক কমপিউটারের নাম কী ছিল। উঃ- আলতেয়ার। 
৩৬২। কোন সালে আই.বি.এম পিসি নামে মাইক্রো কমপিউটার বাজারে ছাড়ে? উঃ- ১৯৮১ সালে। 
৩৬৩। মাইক্রোসফ্ট কোম্পানির এর প্রধান সফ্টওয়্যার স্থপতির নাম কী / প্রতিষ্ঠাতার নাম কী? উঃ- বিল গেটস।
৩৬৪। সামরিক রণকৌশল নির্ণয়, আবহাওয়া পূর্বাভাস, তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান প্রভৃতি কাজে ব্যবহৃত হয় কোন কমপিউটার? উঃ- সুপার কমপিউটার।
৩৬৫। মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে কি? উঃ- প্রসেসর ও র্যাম।
৩৬৬। ফার্মওয়ার সংরতি থাকে কোথায়। উঃ- রমে। 
৩৬৭। কমপিউটারের যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধান করে……. উঃ- ALU 
৩৬৮। কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয়? উঃ- ডটিা প্রসেসিং করা।
৩৬৯। মাইক্রো প্রসেসর কত সালে আবিষ্কার হয়? উঃ- ১৯৭১ সালে।
৩৭০। ইউনিভ্যাক মার্ক-১ কোন প্রজন্মের কমপিউটার? উঃ- প্রথম প্রজন্মের।
৩৭১। কত সালে ট্রানজিস্টার উদ্ভাবন করা হয়? উঃ- ১৯৪৮ সালে।
৩৭২। ইন্টেল কোন দেশের কোম্পানি? উঃ- যুক্তরাষ্ট্র।
৩৭৩। কোন প্রজন্মের কমপিউটারের সঙ্গে মনিটরের সংযোগ শুরু হয়। উঃ- তৃতীয় পজন্মের। 
৩৭৪। মাইক্রোপ্রসেসর প্রচলন হয় কোন প্রজন্মের কমপিউটারে? উঃ- চতুর্থ।
৩৭৫। কমপিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট কী? উঃ- নির্ভুলতা।
৩৭৬। মাই কমপিউটার হল ——– উঃ- ডকুমেন্টর ফোল্ডার।
৩৭৭। কোনটি স্টোরেজ ডিভাইস? উঃ- হার্ডডিস্ক। 
৩৭৮। নেটওয়ার্কিং এর সুবিধা কী? উঃ- একসাথে অনেক লোক ব্যবহার করতে পারে।
৩৭৯। কমপিউটার কাজ করার জন্য কী প্রয়োজন? উঃ- Operating System.
৩৮০। হাইব্রিড কমপিউটার কী কাজে ব্যবহার করা হয়? উঃ- নভোযান-এ।
৩৮১। কোনটি ফাংশন কী? উঃ- F10.
৩৮২। মাইক্রো কমপিউটার হল———- উঃ-
৩৮৩। সফটওয়্যার কী? উঃ- এক বা একাধিক প্রোগ্রামের সমষ্টি।
৩৮৪। BIOS কী? উঃ- একটি ফার্মায়্যার।
৩৮৫। তৃতীয় প্রজন্মর কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য কী? উঃ I.C.
৩৮৬। আকার ও আকৃতি অনুসারে কম্পিউটার কত প্রকার? উঃ- চার প্রকার।
৩৮৭। আই.বি.এম ১৬২০ কম্পিউটারটি কী ধরনের কমপিউটার? উঃ- মেইনফ্রেম কমপিউটার।
৩৮৮। কোনটিকে রিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয়? উঃ- মিনিফ্রেম কম্পিউটার।
৩৮৯। কম্পিউটার সংগঠন বা হার্ডওয়্যারের প্রধান অংশ কয়টি? উঃ- তিনটি।
৩৯০। প্রথম গণনা যন্ত্রের নাম কী? উঃ- অ্যাবাকাস। 
৩৯১। পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্রের নাম কী? উঃ- MARK-1 
৩৯২। মার্ক-১ এর দৈর্ঘ ছিল? উঃ- ৫১ ফুট লম্বা।
৩৯৩। সংরতি প্রোগ্রামের ধারণা দেন কে? উঃ- ড.জন ভন নিউম্যান।
৩৯৪। সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার কোনটি? উঃ- ইউনিভ্যাক।
৩৯৫। আমাদের দেশে কত সালে কপিরাইটার আইন প্রণয়ন করা হয়। উঃ- ১৯৬২ সালে।
৩৯৬। সিস্টেম সফটওয়্যার কত প্রকার? উঃ- ৪ প্রকার।
৩৯৭। মিডিয়া প্লেয়ার সফটওয়্যার কত প্রকার? উঃ- ২ প্রকার।
৩৯৮। কর্যগত দিক থেকে কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে কত ভাগে ভাগ করা যায়? উঃ- ৩ ভাগে।
৩৯৯। সফটওয়্যার কত প্রকার? উঃ- ২ প্রকার।
৪০০। ডাটাবেজ সংক্রান্ত সফটওয়্যার কোনটি? উঃ- D Base

Thursday, March 26, 2020

Coronavirus/COVID-19



Coronaviruses are a large family of viruses which may cause illness in animals or humans.  In humans, several coronaviruses are known to cause respiratory infections ranging from the common cold to more severe diseases such as Middle East Respiratory Syndrome (MERS) and Severe Acute Respiratory Syndrome (SARS). The most recently discovered coronavirus causes coronavirus disease COVID-19.
COVID-19 is the infectious disease caused by the most recently discovered coronavirus. This new virus and disease were unknown before the outbreak began in Wuhan, China, in December 2019.
The most common symptoms of COVID-19 are fever, tiredness, and dry cough. Some patients may have aches and pains, nasal congestion, runny nose, sore throat or diarrhea. These symptoms are usually mild and begin gradually. Some people become infected but don’t develop any symptoms and don't feel unwell. Most people (about 80%) recover from the disease without needing special treatment. Around 1 out of every 6 people who gets COVID-19 becomes seriously ill and develops difficulty breathing. Older people, and those with underlying medical problems like high blood pressure, heart problems or diabetes, are more likely to develop serious illness. People with fever, cough and difficulty breathing should seek medical attention.
People can catch COVID-19 from others who have the virus. The disease can spread from person to person through small droplets from the nose or mouth which are spread when a person with COVID-19 coughs or exhales. These droplets land on objects and surfaces around the person. Other people then catch COVID-19 by touching these objects or surfaces, then touching their eyes, nose or mouth. People can also catch COVID-19 if they breathe in droplets from a person with COVID-19 who coughs out or exhales droplets. This is why it is important to stay more than 1 meter (3 feet) away from a person who is sick.
Can the virus that causes COVID-19 be transmitted through the air?
Studies to date suggest that the virus that causes COVID-19 is mainly transmitted through contact with respiratory droplets rather than through the air.  See previous answer on “How does COVID-19 spread?”

Can COVID-19 be caught from a person who has no symptoms?
The main way the disease spreads is through respiratory droplets expelled by someone who is coughing. The risk of catching COVID-19 from someone with no symptoms at all is very low. However, many people with COVID-19 experience only mild symptoms. This is particularly true at the early stages of the disease. It is therefore possible to catch COVID-19 from someone who has, for example, just a mild cough and does not feel ill.  WHO is assessing ongoing research on the period of transmission of COVID-19 and will continue to share updated findings.    
Can I catch COVID-19 from the feces of someone with the disease?
The risk of catching COVID-19 from the feces of an infected person appears to be low. While initial investigations suggest the virus may be present in feces in some cases, spread through this route is not a main feature of the outbreak. WHO is assessing ongoing research on the ways COVID-19 is spread and will continue to share new findings. Because this is a risk, however, it is another reason to clean hands regularly, after using the bathroom and before eating. 

Protection measures for everyone

Stay aware of the latest information on the COVID-19 outbreak, available on the WHO website and through your national and local public health authority. Many countries around the world have seen cases of COVID-19 and several have seen outbreaks. Authorities in China and some other countries have succeeded in slowing or stopping their outbreaks. However, the situation is unpredictable so check regularly for the latest news.
You can reduce your chances of being infected or spreading COVID-19 by taking some simple precautions:
  • Regularly and thoroughly clean your hands with an alcohol-based hand rub or wash them with soap and water.
    Why? Washing your hands with soap and water or using alcohol-based hand rub kills viruses that may be on your hands.
  • Maintain at least 1 metre (3 feet) distance between yourself and anyone who is coughing or sneezing.
    Why? When someone coughs or sneezes they spray small liquid droplets from their nose or mouth which may contain virus. If you are too close, you can breathe in the droplets, including the COVID-19 virus if the person coughing has the disease.
  • Avoid touching eyes, nose and mouth.
    Why? Hands touch many surfaces and can pick up viruses. Once contaminated, hands can transfer the virus to your eyes, nose or mouth. From there, the virus can enter your body and can make you sick.
  • Make sure you, and the people around you, follow good respiratory hygiene. This means covering your mouth and nose with your bent elbow or tissue when you cough or sneeze. Then dispose of the used tissue immediately.
    Why? Droplets spread virus. By following good respiratory hygiene you protect the people around you from viruses such as cold, flu and COVID-19.
  • Stay home if you feel unwell. If you have a fever, cough and difficulty breathing, seek medical attention and call in advance. Follow the directions of your local health authority.
    Why? National and local authorities will have the most up to date information on the situation in your area. Calling in advance will allow your health care provider to quickly direct you to the right health facility. This will also protect you and help prevent spread of viruses and other infections.
  • Keep up to date on the latest COVID-19 hotspots (cities or local areas where COVID-19 is spreading widely). If possible, avoid traveling to places  – especially if you are an older person or have diabetes, heart or lung disease.
    Why? You have a higher chance of catching COVID-19 in one of these areas.


Protection measures for persons who are in or have recently visited (past 14 days) areas where COVID-19 is spreading

  • Follow the guidance outlined above (Protection measures for everyone)
  • Self-isolate by staying at home if you begin to feel unwell, even with mild symptoms such as headache, low grade fever (37.3 C or above) and slight runny nose, until you recover. If it is essential for you to have someone bring you supplies or to go out, e.g. to buy food, then wear a mask to avoid infecting other people.
    Why? Avoiding contact with others and visits to medical facilities will allow these facilities to operate more effectively and help protect you and others from possible COVID-19 and other viruses.
  • If you develop fever, cough and difficulty breathing, seek medical advice promptly as this may be due to a respiratory infection or other serious condition. Call in advance and tell your provider of any recent travel or contact with travelers.
    Why? Calling in advance will allow your health care provider to quickly direct you to the right health facility. This will also help to prevent possible spread of COVID-19 and other viruses.
Illness due to COVID-19 infection is generally mild, especially for children and young adults. However, it can cause serious illness: about 1 in every 5 people who catch it need hospital care. It is therefore quite normal for people to worry about how the COVID-19 outbreak will affect them and their loved ones.
We can channel our concerns into actions to protect ourselves, our loved ones and our communities. First and foremost among these actions is regular and thorough hand-washing and good respiratory hygiene. Secondly, keep informed and follow the advice of the local health authorities including any restrictions put in place on travel, movement and gatherings.




Monday, February 17, 2020

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান




কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান


সমস্যা ১- পিসি বারবার হ্যাং করছে
সমস্যা ২- পিসি বারবার রিস্টার্ট হচ্ছে
সমস্যা ৩- কম্পিউটার স্লো হয়ে গেলে করণীয়
সমস্যা ৪- উইন্ডোজে আপডেটিংজনিত সমস্যার সমাধান
সমস্যা ৫- ডুয়েল বুটে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন
সমস্যা ৬- ইন্টারনেটের ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়
সমস্যা৭-শর্টকার্ট ভাইরাস আক্রান্ত হলে

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান


সমস্যা ১- পিসি বারবার হ্যাং করছে
সমাধান: বিনা কারণেই যদি পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি। এছাড়া ভাইরাসের কারণেও এমনটা হতে পারে।

সমস্যা ২- পিসি বারবার রিস্টার্ট হচ্ছে
সমাধান: অনেক সময়ই এই সমস্যা দেখা যায়। কাজের সময় যখন তখন পিসি রিস্টার্ট হচ্ছে। অথবা, উইন্ডোজ লোড হয়েই আবার রিস্টার্ট করছে। বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা হতে পারে। আসুন দেখে নিই কারণগুলো-
* সাধারণত ভাইরাস আক্রমণের কারণে এমনটি হয়। তাই এন্টিভাইরাস ইন্সটল করে পিসি স্ক্যান করুন। তাতেও কাজ না হলে উইন্ডোজ ইন্সটল ছাড়া গতি নেই।
* ইন্টারনেট অপরিচিত মেইল, এটাচমেন্ট, মেসেজ ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এভাবেই ভাইরাস বেশি ছড়ায়।
* র‍্যামের সমস্যা বা ভিন্ন ভিন্ন বাসস্পিডের র‌্যাম থাকলে এমনটি হতে পারে। একই বাস স্পিডের র‌্যাম সবসময় ব্যবহার করবেন।
* মাঝে মাঝে কোনো সফটওয়্যার ইন্সটলেশনের কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই মনে করুন এই সমস্যা করার আগে কোন কাজটি করেছিলেন। মনে থাকলে সেটি রিমুভ করে ফেলুন।
* পিসিতে নতুন সংযুক্ত কোনো হার্ডওয়্যার কনফ্লিক্টের কারণেও এটি হতে পারে। এমতাবস্থায় হার্ডওয়্যারটি খুলে ড্রাইভার আনইন্সটল করুন।
* সিপিইউর যন্ত্রাংশে ধুলাবালি জমেও এমনি হতে পারে। তাই নিয়মিত কম্পিউটার পরিষ্কার রাখুন ও যতটা সম্ভব শুষ্ক ঠান্ডা স্থানে রাখুন।
* বায়োসে সিপিইউ ফ্যানের প্রোফাইলে সমস্যার কারনেও এটা হতে পারে।হয়তো আপনার ফ্যান প্রোফাইল সাইলেন্ট করে রাখা, একারনে দরকারি হেভীওয়েট কাজের সময় সিপিইউ পর্যাপ্ত তাপ নির্গমন করতে না পেরে পিসি রিস্টার্ট নেয়। এক্ষেত্রে বায়োসে গিয়ে ফ্যান প্রোফাইল ইন্টিলিজেন্ট বা টার্বো করে দিন।
* আর ভোল্টেজ উঠানামার কারণেও এমনটা হতে পারে। এজন্য ইউপিএস ব্যবহার করুন।

সমস্যা ৩- কম্পিউটার স্লো হয়ে গেলে করণীয়
সমাধান: কম্পিউটার অনেক কারণেই স্লো হতে পারে। এর মধ্যে আছে-
1.অতিরিক্ত ধুলা-বালির জন্য কম্পিউটার স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য মাসে অন্তত একবার হলেও সিপিইউ খুলে এর ধুলাবালি পরিস্কার করা উচিত।
2.ভাইরাসের কারণে পিসি স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য নিয়মিত ভাইরাস স্ক্যান করুন।
3.সি ড্রাইভের জায়গা বেশি ভরে গেলে পিসি স্লো হতে পারে। সি ড্রাইভের অপ্রয়োজনীয় ডাটা অন্য ড্রাইভে রাখুন।
4.খুব বেশি এপ্লিকেশন ইন্সটল বা আনইন্সটল করলে পিসি ধীরে ধীরে স্লো হয়ে যেতে পারে। এজন্য অযথা যেকোনো সফটওয়ার ইন্সটলেশন থেকে বিরত থাকুন।

সমস্যা ৪- উইন্ডোজে আপডেটিংজনিত সমস্যার সমাধান
সমাধান: উইন্ডোজ এক্সপি,ভিসতায় এবং সেভেনে অটোমেটিক আপডেটিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। এর মাধ্যমে উইন্ডোজ নিজে থেকে ইন্টারনেট থেকে আপনার অপারেটিং সিস্টেম, এ্যাপ্লিকেশন ও হার্ডওয়্যারের জন্য প্রয়োজনীয় আপডেট ডাউনলোড করে থাকে। পাশাপাশি সিকিউরিটি সিস্টেমও আপডেট হয় এভাবে। তবে অনেক সময় আপডেট আপনার পিসির স্ট্যাবিলিটি নষ্ট করে দিতে পারে। যেমন আপডেট করে পিসি রিস্টার্ট করার পর এরর মেসেজ, পিসি স্লো হয়ে যাওয়া, হ্যাং করা ইত্যাদি। তখন প্রয়োজন পড়বে সাম্প্রতিক আপডেটটি ডিলিট করে ফেলার। আসুন দেখে নিই আপডেট কিভাবে আনইন্সটল করবেন। সব ওএস-এ নিয়ম প্রায় একই। আমি ভিসতার পদ্ধতি অনুসরণ করছি।
* কন্ট্রোল প্যানেল থেকে প্রোগ্রামস এন্ড ফিচারস এ যান।
* বাম পাশের টাস্কস মেনু থেকে ভিউ ইন্সটলড আপডেটস-এ ক্লিক করন।
* এখানে যে সমস্ত আপডেট ডাউনলোড করেছেন তার লিস্ট থেকে প্রয়োজনীয় আপডেটটি সিলেক্ট করে রিমুভ করুন। কোন আপডেট কবে ইন্সটল করেছেন তা দেখে সহজেই লেটেস্ট আপডেট কোনটি তা বুঝতে পারবেন।
* অথবা কন্ট্রোল প্যানেল>উইন্ডোজ আপডেট-এ গিয়ে ভিউ আপডেট হিস্টরিতে যান। সেখান থেকে ইন্সটলড আপডেট-এ ক্লিক করেও কাজটি করতে পারে।

সমস্যা ৫- ডুয়েল বুটে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন
সমাধান: অনেকেই ডুয়েল বুট করে একই কম্পিউটারে দুইটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকেন। আপনারা যদি চান তাহলে এর মধ্যে যেকোনো একটি ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে সেট করে নিতে পারেন যাতে প্রতিবার কম্পিউটার চালু করলে অটোমেটিকালি সেটাই চালু হয়। এজন্য-
1.মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজে যান। এডভান্সড সিস্স্টেম সেটিংস-এ যান।
2.এডভান্সড ট্যাব থেকে স্টার্ট আপ এন্ড রিকভারিতে যান। ডিফল্ট অপারেটিং অপারেটিং সিস্টেম ঠিক করে দিন।
3.এবার নিচের টাইম টু ডিসপ্লে লিস্ট অফ অপারেটিং সিস্টেমস এ সময় ৩০ সেকেন্ড থেকে কমিয়ে ১ বা ২ সেকেন্ড করে দিতে পারেন। এর মানে আপনি বুটিং সময় অন্য অপারেটিং সিস্টেমে যেতে চাইলে এই পরিমাণ সময় পাবেন। চাইলে তাই এটিকে বাড়িয়ে ৫/১০ সেকেন্ডও করে রাখতে পারেন।

সমস্যা ৬- ইন্টারনেটের ভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়
সমাধান: কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হলে পিসি মাঝে মাঝে হ্যাং করতে পারে, কখনো বা রিস্টার্ট নিতে পারে। আবার হঠাৎ করে অদ্ভুত কোনো মেসেজও আসতে পারে। সর্বোপরি পিসি স্লো হয়ে যাবে।
আপনি আপনার অপারেটিং সিস্টেম কি সেটা লিখেন নি। যদি আপনি উইন্ডোজ় ৭ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে মাইক্রোসফটের ফ্রি সিকিউরিটি এসেনশিয়াল যথেষ্ঠ ভালো কাজ করতে সক্ষম। আর এক্সপি কিংবা ভিসতায় আলাদা কোনো এন্টিভাইরাস ব্যবহার করাটাই শ্রেয়। তবে যেটাই ব্যবহার করুন তা নিয়মিত হালনাগাদ করুন। আর ইন্টারনেট না বুঝে যেকোনো সাইটে গিয়েই রেজিস্ট্রেশন করবেন না। তাতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

সমস্যা৭-শর্টকার্ট ভাইরাস আক্রান্ত হলে
বোঝার উপায়ঃ শর্টকার্ট ভাইরাস একটি দুর্বল ভাইরাস অথচ বিরক্তিকর ভাইরাস, কোনো স্টোরেজ ডিভাইস শর্টকার্ট আক্রান্ত হলে, ফাইল শো করে না কিন্তু ড্রাইভে/স্টোরেজে জায়গা ঠিকই ধরে রাখে। 
সমাধানঃ
১। স্থায়ী সমাধান ভালো এন্টিভাইরাস রাখা।
২। এন্টিভাইরাস ছাড়া কম্পিউটারে পেনড্রাইভ না লাগানো।
৩। কম্পিউটারের এক্সপ্লোরারের ফাইল মেনু থেকে Organize এ ক্লিক করে View থেকে Show Hidden Files ক্লিক করতে হবে। পেনড্রাইভ এর ফাইল দেখার জন্য USB Show নামের পোর্টেবল সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

   


















 কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান
কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান
সমস্যা
ধরন
কারণ
সমাধান
 ডেস্কটপ কম্পিউটার
কম্পিউটার চালু হচ্ছে নাহার্ডওয়ার১. পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা
২. পাওয়ার বাটনের সমস্যা
৩. র‌্যামের সমস্যা
৪. প্রসেসরের সমস্যা
১. পাওয়ার সাপ্লাই ঠিক আছে কিনা এবং প্রয়োজনীয় সব ক্যাবল লাগানো আছে কিনা চেক করুন।
২. কেসিং এর পাওয়ার বাটন চেক করুন।
৩. ইন্টারনাল স্পীকার একের অধিক বীপ আওয়াজ ক্রমাগত করলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যাম বদলাতে হবে।
৪. প্রসেসর ঠিকমতো বসানো আছে কিনা এবং কুলিং ফ্যান চেক করুন।
কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হচ্ছেসফটওয়ার১. ভাইরাসের কারণে
২. এন্টিভাইরাসের সমস্যার কারণে
৩. কোনো বিশেষ অসামঞ্জস্যপূর্ণ সফটওয়ার ইন্সটলের কারণে
৪. অপারেটিং সিস্টেমের সমস্যার জন্য
১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পুরো পিসি ভালো করে স্ক্যান করুন।
২. একাধিক এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
৩. যদি বিশেষ কোনো সফটওয়ার ইন্সটল করার পর থেকে সমস্যাটি দেখা দিয়ে তাহলে সেটি মুছে ফেলুন।
হার্ডওয়ার১. র‌্যাম
২. পাওয়ার সাপ্লাই
৩. কুলিং ফ্যান
৪. নতুন হার্ডওয়ার
৫. ধুলাবালি
১. কখনোই ভিন্ন ভিন্ন বাস স্পীডের র‌্যাম ব্যবহার করবেন না।
২. র‌্যামটি খুলে অন্য স্লটে লাগিয়ে দেখুন।
৩. বিদ্যুতের উঠানামার জন্য এমনটা হলে ইউপিএস ব্যবহার করুন।
৪. প্রসেসর কুলিং ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কিনা এবং সেটি শক্তভাবে প্রসেসরে লাগানো আছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়ার লাগানোর পর থেকে যদি সমস্যার শুরু হয় তাহলে সেটি খুলে ফেলুন।
৬. কম্পিউটারের কেসিং এর ভেতরটা ধুলাবালি মুক্ত রাখুন।
কম্পিউটার চালুর পর নিজেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছেহার্ডওয়ার১. প্রসেসরের কুলিং ফ্যানের সমস্যা১. মাদারবোর্ডে প্রসেসরের কুলিং ফ্যান শক্তভাবে বসানো আছে কিনা চেক করুন।
২. কম্পিউটার পুরাতন হলে প্রসেসরের আর ফ্যানের মাঝে থাকা থার্মাল পেস্ট ক্ষয়ে যাবার কারণে এমন হলে নতুন পেস্ট লাগাতে হবে।
৩. ফ্যানে জমে থাকা ধুলো পরিস্কার করতে হবে, এয়ার ব্লোয়ার ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো হয়।
পিসি অন করলেই প্রসেসর থার্মাল ট্রিপ ওয়ার্নিং আসছেহার্ডওয়ার১. প্রসেসরের কুলিং ফ্যান১. প্রসেসরের উপরের কুলিং ফ্যান ঠিকভাবে শক্ত করে বসানো আছে কিনা চেক করুন।
কম্পিউটার চালু করার পর বীপ দিতে থাকেহার্ডওয়ার১.যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না।অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।।
২. যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড।
৩.যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।।
৪.যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
১.র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
২.মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে।? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।
৩.যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা।
৪.এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
৫.পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা।
পাওয়ার সাপ্লাইকাজ করছে নাহার্ডওয়ার১. পাওয়ার সাপ্লাইনষ্ট হয়ে গেছে১. নষ্ট হলে ঠিক না করে নতুন পাওয়ার সাপ্লাই লাগানো যেতে পারে।
উইন্ডোজ চালু হতে বেশি সময় নিচ্ছেসফটওয়ার১. স্টার্টআপে প্রোগ্রামের সংখ্যা বেশি১. স্টার্ট মেনু বা রানে গিয়ে MSCONFIG লিখে এন্টার দিন। স্টার্ট আপ ট্যাব থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনচেক করুন।
কম্পিউটার বারবার হ্যাং করছেসফটওয়ার১. ভাইরাস
২. একাধিক এন্টিভাইরাস
১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পিসি ভালোমতো স্ক্যান দিন।
২. একসাথে একের অধিক এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
হার্ডওয়ার১. র‌্যাম১. র‌্যাম ঠিকমতো স্লটে বসানো আছে কিনা দেখুন।
২. একই বাসস্পীডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করবেন।
কম্পিউটার স্লো হয়ে গেছেসফটওয়ার১. ভাইরাস
২. অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম
৩. সি ড্রাইভে অপর্যাপ্ত স্পেস
১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পিসি স্ক্যান করুন।
২. খুব বেশি এপ্লিকেশন বা সফটওয়ার পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
৩. সি ড্রাইভ বা উইন্ডোজের ড্রাইভে ২০% স্পেস সবসময় খালি রাখবেন।
হার্ডওয়ার১. র‌্যাম
২. ধুলাবালি
১. কম্পিউটারের ভেতর এবং আশপাশ সবসময় ধুলাবালি মুক্স রাখবেন।
২. উষ্ণ কোনো স্থানে কম্পিউটার রাখবেন না।
৩. প্রয়োজনের চেয়ে র‌্যামের মেমোরির পরিমাণ কম।
কম্পিউটারের ঘড়ির সময় ঠিক থাকছে নাহার্ডওয়ার১. মাদারবোর্ড পুরাতন হলে বায়োসের ব্যাটারী ডাউন হবার কারণে১. কম্পিউটার মাদারবোর্ডে থাকা বায়োসের কয়েন সদৃশ ব্যাটারীটি বদলে দিতে হবে।
 মনিটর
কম্পিউটারের ডিসপ্লেতে কিছু আসছে নাহার্ডওয়ার১. র‌্যামের সমস্যা
২. গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা
৩. কানেকশনের সমস্যা
১. মনিটরের পাওয়ার এবং সিপিইউ’র ডিসপ্লে আউটপুট থেকে মনিটর পর্যন্ত সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা চেক করুন।
২. র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে বসালেও এ সমস্যা মাঝেমাঝে ঠিক হতে পারে।
৩. যদি কম্পিউটার অন করার পর ইন্টারনাল সিস্টেম স্পীকার তিনবার ছোটো ছোটো বীপ করে তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ড চেক করুন।
৪. বায়োস রিসেট দিন।
মনিটরের স্ক্রীণ ঝাপসাসফটওয়ার১. ড্রাইভার ইন্সটল করা নেই
২. ডাইরেক্ট এক্স এর সমস্যা
৩. সেটিংস এর সমস্যা
১. আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য সর্বশেষ ড্রাইভার ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন
২. ডাইরেক্ট এক্স আপডেট করুন।
৩. ডিসপ্লে সেটিংস এ গিয়ে রেজুলেশন এবং রিফ্রেশ রেট(৬০ হার্টজ) চেক করুন। কালার মোড(৩২ বিট) চেক করুন।
গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যাহার্ডওয়ার১. কানেকশনের সমস্যা
২. বায়োস সেটিংস
৩. ত্রুটিপূর্ণ গ্রাফিক্স কার্ড
১. গ্রাফিক্স কার্ড এবং মনিটরের কানেকশন চেক করুন।
২. বায়োসের সেটিং ডিফল্ট করে দিন।
৩. যদি কম্পিউটার অন করার পর সিস্টেম স্পীকার ৩টি বীপ করে তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা হয়েছে। অন্য গ্রাফিক্স কার্ড লাগিয়ে চেক করুন।
মনিটরের লেখা/ছবি উলটে গেছেসফটওয়ার১. সেটিংস এর সমস্যা১. গ্রাফিক্স কার্ডের সেটিংস এ গিয়ে রোটেশন অফ করে দিন বা শুণ্য ডিগ্রী করে দিন।
২. ctrl+alt+ up arrow key
মনিটরের কনট্রাস্ট রেশিও ঠিক করে দিলেও বার বার উইন্ডোটি আসতে থাকে।হার্ডওয়ার১। ভিজিএ ক্যাবল এ সমস্যা থাকতে পারে।
২। গ্রাফিক্স কার্ডেরকারনে হতে পারে
৩। মনিটরের সুইচ/আইসিতে সমস্যা থাকতে পারে।
৪। এজ মডেমের সিগনালের কারনে হতে পারে।
১। সুইচ চেক করা।
২। ভিজিএ ক্যাবল ঠিকমত লাগাতে হবে।
৩। এজ মডেম সামনের পোর্ট থেকে খুলে পিছনের পোর্টে লাগাতে হবে।
মনিটরের স্ক্রিনে নীল রং এসে থেমে যায় এবং মনিটর চালু হয় নাহার্ডওয়ার১. হার্ডওয়্যার এর সমস্যা হতে পারে১. অভিজ্ঞ কোনো টেকনিশিয়ানকে দেখান।
সফটওয়ার১.র‌্যাম স্লটে সমস্যা হতে পারে।
২.উইন্ডোজ ইন্সটলেশন সমস্যা হতে পারে।
৩.বেড সেক্টর এর কারণে হতে পারে।
৪.ভাইরাসের কারণে হতে পারে।
১. পুনরায় কম্পিউটার রিস্টার্ট করা যেতে পারে।
২.র‌্যাম স্লট পরিবর্তন করে দেখা যেতে পারে।
৩.উইন্ডোজ সেট আপ দেয়া যেতে পারে।
৪. হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর সমস্যার সমাধান করতে হবে।
CRT মনিটরে ডিসপ্লে তে বিভিন্ন color আসাহার্ডওয়ার১.মনিটরের পাশে ম্যাগনেটিক ফিল্ডের উপস্থিতি।
২.ভিজিএ ক্যাবল নষ্ট
১. মনিটরের contrast মেন্যুতে dgauge বাটনে ক্লিক করলেই ভিতরের সমস্ত ray বের হয়ে গিয়ে ঠিক হয়ে যাবে।
২. ভিজিএ ক্যাবল চেক করতে হবে।
৩. সকল ম্যাগনেটিক বস্তু বিশেষত স্পীকার মনিটর থেকে দূরে সরাতে হবে।
 উইন্ডোজ সেটআপ
উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ হচ্ছে নাহার্ডওয়ার১. বুট ডিভাইস সেটিংস
২. সিডিতে সমস্যা
৩. র‌্যামের সমস্যা
৪. হার্ডডিস্কের কম্পাটিবিলিটি
১. বায়োসের বুট ডিভাইস প্রায়োরিটি থেকে সিডি ডাইভ প্রথমে নিয়ে আসুন।
২. যদি ফাইল কপি হবার সময় আটকে যায় তাহলে বুঝতে হবে সিডিতে সমস্যা, অন্য সিডি ব্যবহার করুন।
৩. ইন্সটলেশন শুরুর পর আটকালে সেটা র‌্যামের কারণে হতে পারে। সব র‌্যাম একই বাস স্পীডবিশিশট কিনা তা দেখুন। স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
৪. যে ড্রাইভে ইন্সটল করছেন সেটা এনটিএফএস ফরম্যাটে আছে কিনা চেক করে দেখুন।
উইন্ডোজ এক্সপি হার্ডডিস্ক খুঁজে পাচ্ছে নাসফটওয়ার১. নতুন মডেলের হার্ডডিস্ক১. উইন্ডোজ এক্সপির সার্ভিস প্যাক ৩ ব্যবহার করুন। ল্যাপটপের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট নির্মাতার মডেলের উপর ভিত্তি করে এক্সপির আলাদা ভার্সন বানিয়ে থাকে। সেটা ব্যবহার করতে হবে।
হার্ডওয়ার১. কানেকশনে সমস্যা
২. হার্ডডিস্ক কন্ট্রোলার
১. হার্ডডিস্কের সাথে মাদারবোর্ডের কানেকশন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
২. বায়োসের সেটিংস এ হার্ডডিস্ক কন্ট্রোল মোড হবে আইডিই।
উইন্ডোজ এর কোন সিস্টেম ফাইল নষ্ট হয়ে যাওয়াহার্ডওয়ার১. ভাইরাসের কারণে১. Google এ সার্চ দিয়ে নির্দিষ্ট ফাইলটি খুজে উইন্ডোজ এর নির্দিষ্ট ফোল্ডারে পেস্ট করতে হবে।
উইন্ডোজ সেভেন/ভিসতা থাকলে এক্সপি ইন্সটল হয় নাসফটওয়ার১. উইন্ডোজের নিয়ম এটি১. EasyBCD সফটওয়ার দিয়ে কাজটি করা যায়।
User Account এর পাসওয়ার্ড ভূলে যাওয়া১.সেফ মুডে কম্পিউটার অন করে পাসওয়ার্ড মুছে দেয়া।
২.ctrl+alt চেপে ধরে দুইবার delete চেপে administrator  দিয়ে ওপেন করা।
 হার্ডডিস্ক
কম্পিউটার হার্ডডিস্ক পাচ্ছে নাহার্ডওয়ার১. কানেকশনে সমস্যা
২. বায়োসের সেটিংস
৩. হার্ডডিস্কের সমস্যা
১. হার্ডডিস্কের সাথে মাদারবোর্ডের কানেকশন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
২. বায়োসের সেটিংস এ হার্ডডিস্ক ঠিকমতো দেখাচ্ছে কিনা দেখুন। ডিফল্ট সেটিং ব্যবহার করুন।
৩. হার্ডডিস্ক পুরাতন হলে বা ব্যাড সেক্টর পড়লে নতুন হার্ডডিস্ক ব্যবহার ছাড়া উপায় নেই।
হার্ডডিস্কের ব্যাডসেক্টরহার্ডওয়ার১.ঘন ঘন বিদ্যুৎচলে গেলে
২.যথাযথ ভাবে কম্পিউটার বন্ধ করা না হলে
১.ফিজিক্যাল বেড সেক্টর দূর করা যায় না।
২.লজিক্যাল বেড সেক্টর দূর করার জন্য বিভিন্ন ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায় যেমন- Norton utility disk doctor।
৩.c ড্রাইভ এর properties থেকে Tools এর check now এ গিয়ে দুইটি check box ok দিয়ে start এ ক্লিক করতে হবে।
কীবোর্ডের কী কাজ করছে নাহার্ডওয়ার১. ধুলাবালি/তরল পদার্থের জন্য
২. কী বোর্ড পুরাতন হয়ে গেলে।
৩.কী বোর্ড এর কার্বন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
১. ধুলাবালি পরিস্কার করে শুষ্ক স্থানে রাখুন।
২. নতুন কীবোর্ড ব্যবহার করাই ভালো।
সফটওয়ার১. কীবোর্ড সেটিংসের সমস্যা১. কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে কীবোর্ড সেটিং চেক করুন।
উইন্ডোজ আপডেটের পর সমস্যাসফটওয়ার১. আপডেট কম্পাটিবল না১. নতুন আপডেটটি আনইন্সটল করে ফেলুন।
হার্ডওয়ার আপডেটের পর সমস্যাসফটওয়ার১. আপডেট কম্পাটিবল না১. নতুন আপডেটটি আনইন্সটল করে ফেলুন।
সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ ডিস্ক রীড করছে নাহার্ডওয়ার১. ডিস্কে সমস্যা
২. ড্রাইভের হেডে জমে থাকা ধুলো
১. বেশি স্ক্র্যাচ/দাগযুক্ত সিডি/ডিভি ড্রাইভে ঢুকাবেন না।
২. সিডি ক্লিনার বা ড্রাইভ খুলে হেড পরিস্কার করুন।
একটি বিশেষ সিডি/ডিভিডি চলছে নাহার্ডওয়ার১.সিডিটি নষ্ট হতে পারে
২.সিডি/ডিভিডি ড্রাইভটি দূর্বল হয়ে যেতে পারে
১.বায়োস এ গিয়ে সিডি/ডিভিডি রমকে প্রথম বুট প্রায়োরিটি দিতে হবে।
২.সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ এর ক্যাবল মাদারবোর্ড এর অন্য স্থানে লাগাতে হবে।
৩.নতুন করে বায়োস সেট আপ করা যেতে পারে।
কম্পিউটারে সাউন্ড নেইসফটওয়ার১. ড্রাইভার ইন্সটল করা নেই
২. ভুল সেটিংস করা আছে
১. মাদারবোর্ডের ড্রাইভার সিডি থেকে সাউন্ডের ড্রাইভার আপডেট করুন।
২. উইন্ডোজের সাউন্ড সেটিংস এ গিয়ে ডিফল্ট সাউন্ড ডিভাইস চেক করুন।
কম্পিউটারের সামনের পোর্ট দিয়ে সাউন্ড আসছে নাসফটওয়ার১. ড্রাইভার ইন্সটল করা নেই১. মাদারবোর্ডের ড্রাইভার সিডি থেকে সাউন্ডের ড্রাইভার আপডেট করুন।
হার্ডওয়ার১. বায়োস সেটিংস ঠিক নেই
২. মাদারবোর্ডে জ্যাক লাগানোয় সমস্যা
১. বায়োসে গিয়ে ফ্রন্ট প্যানেল অডিও আউটপুট এসি’৯৭ সেট করুন।
২. মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল অনুযায়ী ঠিকভাবে সাউন্ডের জ্যাক মাদারবোর্ডের সঠিক পোর্টে লাগানো হয়েছে কিনা দেখুন।
স্কাইপিতে মাইক্রোফোন কাজ করে নাসফটওয়ার১.সাউন্ড ডিভাইস ডিজেবল থাকলে
২.স্কাইপি সাউন্ড সেটিং ঠিক না থাকলে
৩. ডিফল্ট মাইক্রোফোন ঠিক না থাকলে
১. উইন্ডোজের ডিফল্ট রেকর্ডিং ডিভাইস চেক করুন।
২. সাউন্ড কার্ডের ড্রাইভার আপডেট করে মাইক্রোফোন এনাবেল করুন।
৩.স্কাইপি কল সেটিং থেকে অডিও সেটিং এ গিয়ে মাইক্রোফোন চেক করে দিতে হবে।
মাউস ঠিকমতো কাজ করছে নাহার্ডওয়ার১. বল মাউসের ক্ষেত্রে ধুলো
২. মাউসের পোর্ট
৩. মাউস ব্যবহারের তল
১. বল মাউসের রোলার বলটি খুলে পরিস্কার করুন।
২. ইউএসবি অপটিক্যাল মাউস হলে পোর্ট পরিবর্তন করুন।
৩. প্রতিফলিত হতে পারে এমন কোনো স্থানে রেখে অপটিক্যাল মাউস ব্যবহার করবেন না।
ইউএসবি ডিভাইস পাচ্ছে নাহার্ডওয়ার১. বায়োসে ডিজাবেল করা১. বায়োস রিসেট বা ইউএসবি এনাবেল করে দিন।
পেন ড্রাইভ ফরম্যাট হয় নাসফটওয়ার১. ভাইরাস
২. ফাইল সিস্টেমের সমস্যা
১.ফরম্যাটিং টুল ব্যবহার করা।
২.ডস মুডে গিয়ে ফরম্যাট্ করা।
৩.অন্য পিসিতে চেষ্টা করা।
৪.অটো রান বন্ধ করে চেষ্টা করা।
৫.পেন ড্রাইভ নির্মাতার ওয়েব সাইট থেকে ফরম্যাট টুল ব্যবহার করা।
PDF ফাইল এডিট করা যায় নাসফটওয়ার১. প্রয়োজনীয় সফটওয়ারের অভাব১.Adobe Acrobat Professional (min 6 or upper version) দিয়ে করা যায়।
বাংলা পড়া যাচ্ছে নাসফটওয়ার১. দরকারি বাংলা ফন্ট নেই১. প্রয়োজনীয় সকল ফন্ট কপি করে ফন্ট ফোল্ডারে পেস্ট করতে হবে।
 ইন্টারনেট
ডায়ালআপ মডেম কানেকশন পাচ্ছে নাসফটওয়ার১. ডিভাইস ড্রাইভার
২. ভুল ডায়ালআপ নাম্বার
১. ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে মডেমের ড্রাইভার এবং মডেম ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করুন।
২. ডায়ালআপ নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড চেক করুন।
৩. ইন্টারনেট কানেকশনের সব সেটিং চেক করুন।
৪. নতুন করে কানেকশন প্রোফাইল তৈরি করুন।
মোবাইল ইন্টারনেটে সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে নাসফটওয়ার১. সীমের সংযোগ বা ইউএসবি পোর্টের সংযোগ
২. কানেকশন সেটিংস পরিবর্তনের কারণে
৩. অন্য কোন ডিভাইস দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণে
১. সীম ট্রে থেকে সিমটি খুলে আবার ভালোমতো সেখানে স্থাপন করুন।
২. ইউএসবি পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন।
৩. পিসি রিস্টার্ট দিয়ে দেখুন।
৪. মডেমের ড্রাইভার আনইন্সটল করে নতুন করে আবার ইন্সটল করুন।
৫. অন্য কোনো মডেম বা মোবাইল দোনের ড্রাইভার ইন্সটল করা হয়ে থাকলে সেগুলো আনইন্সটল করে তারপর নতুন করে আবার মডেমের ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
কম্পিউটার ইন্টারনেট মডেম খুঁজে পাচ্ছে নাসফটওয়ার১. পোর্টের সমস্যা
২. ড্রাইভার নেই
১. অন্য ইউএসবি পোর্টে মডেম লাগিয়ে দেখুন।
২. কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।
৩. অন্য মডেমের ড্রাইন মুছে ফেলে নতুন করে মডেম ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
মডেমে নো নেটওয়ার্ক/নো সার্ভিসসফটওয়ার১. ড্রাইভারের সমস্যা
২. সীমের সংযোগ
১. ড্রাইভার নতুন করে ইন্সটল করুন।
২. সীমটি মডেমের ট্রে থেকে খুলে আবার ভালোভাবে স্থাপন করুন।
ইন্টারনেট সংযোগের ধীরগতিহার্ডওয়ার১. সংযোগ লাইনের দূর্বলতা১. মোবাইল ইন্টারনেট কিংবা ডায়ালআপ ইন্টারনেটের গতি এমনিতেই কম। ব্রডব্যান্ড, এডিএসএল কিংবা ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করে ভালো গতি পেতে পারেন।
নেটওয়ার্কে থাকা কম্পিউটারে সংযুক্ত হওয়া যাচ্ছে নাসফটওয়ার১. আইপি এড্রেস
২. সেটিংস
১. নেটওয়ার্কে থাকা কম্পিউটারগুলার আইপি এড্রেস ঠিক আছে কিনা দেখুন
২. অন্য কম্পিউটারের সাথে শেয়ারিং অন আছে কিনা দেখুন।
 ইউপিএস
ইউপিএস ব্যাকআপ দিচ্ছে নাহার্ডওয়ার১. ব্যাটারী পুরাতন১. যদি ইউপিএস পুরাতন হয়ে থাকে তাহলে ইউপিএস-এ থাকা ব্যাটারী পরিবর্তন করুন।
২. নতুন ইউপিএস এ এই সমস্যা হলে সার্কিটের কারণে তা হতে পারে।
ইউপিএস থাকার পরেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়হার্ডওয়ার১. সার্কিটের সমস্যা
২. চার্জ কম
৩. লোড বেশি
১. ইউপিএস এ চার্জ কম থাকলে এমন হতে পারে।
২. যদি ইউপিএস এর আউটপুট ক্ষমতার চেয়ে কম্পিউটারের লোড বেশি হয়ে যায় তাহলে হতে পারে। প্রিন্টার, স্ক্যানার ইউপিএস এর সাথে লাগাবেন না।
৩. সব ঠিক থাকার পরেও সমস্যা হলে সেটা সার্কিটের কারণে হতে পারে।
 প্রিন্টার
প্রিন্টার কাজ করছে নাসফটওয়ার১. ড্রাইভার
২. ডিফল্ট প্রিন্টার সেটিংস
১. আপডেটেড প্রিন্টার ড্রাইভার ব্যবহার করতে হবে।
২. ডিফল্ট প্রিন্টার সেটিংস চেক করতে হবে।
হার্ডওয়ার১. লুজ কানেকশন১. প্রিন্টারের সাথে ইউএসবি পোর্টের কানেকশন চেক করুন।
২. ইউএসবি পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন।
কার্ট্রিজ রিফিল করার পর সমস্যা হচ্ছেহার্ডওয়ার১. কালির সমস্যা
২. কার্ট্রিজের সমস্যা
১. রিফিলে ব্যবহৃত কালির মান ভালো না।
২. রিফিলের ফলে কার্ট্রিজে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
একই পেজ বারবার প্রিন্ট হচ্ছেসফটওয়ার১. সফটওয়ার/ড্রাইভারের সমস্যা১. প্রিন্টারের অফ করে পিসি থেকে ক্যাবল খুলে কিছুক্ষণ পর আবার লাগিয়ে অন করুন।
২. নোটিফিকেশন এরিয়ার প্রিন্টার ডকুমেন্ট লিস্ট থেকে জমে থাকা ফাইল মুছে ফেলুন।
কমান্ড দিলে প্রিন্ট শুরু হচ্ছে নাহার্ডওয়ার১. কাগজ ঠিকমতো নেই
২. কার্ট্রিজ ঠিকমত বসানো নেই
১. কাগজ ঠিকমতো সাথে আছে কিনা চেক করুন। প্রিন্টারের কাগজ টানতে যেন কোনো সমস্যা না হয়।
২. প্রিন্টার খুলে কার্ট্রিজ চেক করুন এবং প্রয়োজনবোধে খুলে আবার লাগান। নতুনভাবে কার্ট্রিজ লাগানোর পর প্রিন্টার সফটওয়ার দিয়ে আবার এলাইনমেন্ট ঠিক করুন।
 প্রোজেক্টর
প্রোজেক্টরে ছবি আসছে নাহার্ডওয়ার১. ভুল কানেকশনের
২. ক্যাবলের সমস্যা
৩. ল্যাম্পের সমস্যা
১. আগে প্রোজেক্টরের ম্যানুয়াল পড়ে নিতে হবে।
২. গ্রাফিক্স কার্ড বা ল্যাপটপের আউটপুটের সাথে প্রোজেক্টরের ইনপুটের সংযোগ চেক করতে হবে।
৩. ক্যাবলের দৈর্ঘ্য ১০ মিটারের বেশি হওয়া যাবে না।
৪. ল্যাম্পের লাইফ সাইকেল সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।
সফটওয়ার১. উইন্ডোজের ডিসপ্লে সেটিংস
২. প্রোজেক্টরের সেটিংস
১. উইন্ডোজের সেকেন্ডারি ডিসপ্লে সেটিংস চেক করুন। উইন্ডোজ+P বাটন প্রেস করে সহজেই এটি করা যায়।
২. উইন্ডোজের প্রোজেক্টর রেজুলেশন আর প্রোজেক্টরের সাপোর্টেড রেজুলেশন ঠিক থাকতে হবে।
৩. সব কানেকশন ঠিক থাকলে আগে প্রোজেক্টর অন করুন ,তারপর কম্পিউটার।
৪. প্রোজেক্টরে একাধিক ইনপুটের সিস্টেম থাকলে সেটা চেক করুন।
প্রোজেক্টরে ছবিতে ডট/দাগহার্ডওয়ার১. প্রোজেক্টরের লেন্সে জমা ধুলাবালি১. নিয়মিত প্রোজেক্টরের লেন্স পরিস্কার করতে হবে।
প্রোজেক্টরের স্ক্রীণে স্পষ্ট ছবি আসছে নাসফটওয়ার১. রেজুলেশনের সমস্যা১. প্রোজেক্টরে অটোমেটিক সেটিংস এর কোনো বাটন থাকলে তা প্রেস করুন।
২. ডেস্কটপ/ল্যাপটপের রেজুলেশন সেটিংস পরিবর্তন করে দেখুন।
৩. ডেস্কটপ/ল্যাপটপের ডিসপ্লে ডিজাবেল করে দিন।
প্রোজেক্টর এ বায়োস এর ডিসপ্লে আসছে নাহার্ডওয়ার১. ডিভাইস সাপোর্ট নেই১. এই সমস্যার সমাধান নেই।
ল্যাপটপেরএর কোন জিনিস প্রজেক্টর এ দেখানো যায় নাহার্ডওয়ার১.ক্যাবল সংযোগ দূর্বল হতে পারে১.ক্যাবল সংযোগ ঠিকমত লাগাতে হবে।
সফটওয়ার১. Resolution পার্থক্য থাকতে পারে।
৩.Settings এ নির্দিষ্ট অপশন আনচেক থাকতে পারে।
১. Desktop-properties-settings-advanced-Graphics Media-graphics properties-single/multiple display (চেক করে দিতে হবে)।
২. উইন্ডোজ সেভেন উইন্ডোজ+পি কী প্রেস করতে হবে।
 ল্যাপটপ কম্পিউটার
ল্যাপটপ চালু হচ্ছে নাহার্ডওয়ার১. ব্যাটারীর সমস্যা
২. চার্জিং পোর্টের সমস্যা
৩. কারিগরী সমস্যা
১. ল্যাপটপের ব্যাটারীর ক্ষমতা পুরো কমে গেলে কিংবা ত্রুটি দেখা দিলে এমন হয়, ব্যাটারী পরিবর্তন করতে হবে।
২. চার্জিং পোর্ট এবং এডাপ্টার ঠিক আছে কিনা দেখুন।
৩. ল্যাপটপের ইন্ডিকেটর লাইট অন না হলে কোনো টেকনিশিয়ানকে দেখান।
ল্যাপটপ ব্যাকআপ কম দিচ্ছেহার্ডওয়ার১. ল্যাপটপের ব্যাটারীর আয়ু কমে গেছে১. ল্যাপটপ ব্যবহারের কিছু নিয়মকানুন আছে সেগুলা মেনে চলুন।
সফটওয়ার১. ভুল পাওয়ার সেটিংস১. উইন্ডোজের পাওয়ার সেটিং ঠিক করে ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব।
ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যাচ্ছেহার্ডওয়ার১. অপর্যাপ্ত কুলিং
২. অতিরিক্ত কাজের চাপ
১. ল্যাপটপের কুলিং ফ্যানের একদম সামনে কোনো কিছু রাখবেন না।
২. ল্যাপটপের প্রসেসর যেখানে থাকে সেই স্থান বেশি গরম হয়। খেয়াল রাখবেন সবসময় যেন সেখানে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকে।
৩. ল্যাপটপে টানা বেশিক্ষণ মুভি দেখবেন না বা সারাক্ষণ কাজ করবেন না।
ল্যাপটপ পাওয়ার পাচ্ছে নাহার্ডওয়ার১. এডাপ্টারের সমস্যা১. পাওয়ার সাপ্লাই-এর সকেট এবং ল্যাপটপের এডাপ্টার চেক করুন।
ল্যাপটপের ডিসপ্লে আসছে নাসফটওয়ার১. উইন্ডোজের সমস্যা১. যদি বায়োসের স্ক্রীন আসার পর ডিসপ্লে কালো হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে উইন্ডোজের সমস্যা। উইন্ডোজ রিপেয়ার করুন বা নতুন করে সেটআপ করুন।
 ডিজিটাল ক্যামেরা/ মোবাইল ফোন
ক্যামেরায় তোলা ছবি পরিস্কার না১. আলোর সমস্যা
২. ছবি তোলার জ্ঞানের অভাব
১. যার বা যেটির ছবি তুলছেন সেখানে পর্যাপ্ত আলো থাকতে হবে। আর আলোর উৎস থাকবে ক্যামেরার পেছনে।
২. পরিবেশের উপর ভিত্তি করে ক্যামেরার লাইট সেটিংস পরিবর্তন করুন।
৩. ছবি তোলার সময় হাত যেন না নড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৪. ছবি তোলার আগে লেন্সে ঠিকমত ফোকাস করে নিন।
ক্যামেরা/মোবাইলে তোলা ছবি কম্পিউটারে নেয়া যাচ্ছে নাহার্ডওয়ার১. সংযোগ ক্যাবল থাকতে হবে
২. ব্লুটুথ
১. ইউএসবি ক্যাবলের সাহায্যে মোবাইল/ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবি পিসিতে নেয়া যায়।
২. মেমোরি কার্ড রীডারের সাহায্যে ডাটা পিসিতে নেয়া যায়।
৩. ল্যাপটপের ব্লুটুথের সাহায্যে মোবাইল থেকে ডাটা পিসিতে নেয়া যায়।
 ভাইরাস প্রসংগ
সমস্যা
ধরণ
বোঝার উপায়
সমাধান
কম্পিউটারে ভাইরাস থাকলে তা কিভাবে বুঝবো এবং সমাধান করবসফটওয়ার১. কম্পিউটার স্লো হয়ে যাবে
২. কাজ করার সমস্য হঠাৎ সেটি আটকে যাবে/হ্যাং করবে
৩. কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় লাগবে
৪. যখন-তখন কম্পিউটার রিস্টার্ট দিতে পারে
৫. কন্ট্রোল প্যানেল/ফোল্ডার অপশন হাইড হয়ে যেতে পারে।
৫. ড্রাইভ বা ফোল্ডার লক হয়ে যেতে পারে।
১. ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্ক থাকা।
২. যেকোনো পেনড্রাইভ বা মোবাইল ফোন পিসিতে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন।
৩. এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা।
৪. পেন ড্রাইভ পিসিতে ঢুকানো আগে স্ক্যান করে নেয়া।
৫. আক্রান্ত ড্রাইভ ফরম্যাট করা।
৬. রেজিস্ট্রি টুলস ব্যবহার করে বিভিন্ন অপশন ফেরত আনা যায়।
৭. অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে ইন্সটল করা।
এন্টি ভাইরাস আপডেট এবং ডাউনলোড জনিত সমস্যাসফটওয়ার১.লাইসেন্স সময় অতিক্রম করে যেতে পারে
২.কম্পিউটার এর সময় এবং সফটওয়্যার এর সময় মিসম্যাচ হতে পারে
৩.ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি দূর্বল হলে
১.আপডেট এবং ডাউনলোড এর সময় firewall বন্ধ রাখা যেতে পারে।
২.নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
এন্টি ভাইরাস আনইন্সটল হয় না সফটওয়ার১. রেজিস্ট্রির সমস্যা১. সিক্লিনার এর মতো ইউটিলিটি টুল দিয়ে আনইন্সটল করতে হবে।

TEFL Certificate

TEFL (Teaching English as a foreign language ) Certificate